Herbal Trees – Cure of native plants and fruits

৭টি কার্যকরী খাদ্য টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়াতে সাহায্য করবে

টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়াতে ৭টি কার্যকরী খাদ্য

৭টি কার্যকরী খাদ্য টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়াতে খাদ্য: সাধারণত খাদ্যে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ডোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা শরীরের ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরম্যান্সের জন্য জরুরী। এছাড়াও শরীরে মেদ বৃদ্ধি, দুর্বলতা এবং চুল পড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী এই হরমোন। এটি পুরুষের পাশাপাশি নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেননা উভয়ের যৌন আকাঙ্ক্ষা একই হরমোন এর উপর নির্ভর করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা বেশির ভাগই এই সমস্যার খুব দ্রুত সমাধান আশা করি। যার ফলে অনেকেই এর জন্য ওষুধ বা ইনজেকশন নেওয়ার কথা চিন্তা করেন। তবে সত্যিটা হল, এইভাবে টেস্টোস্টেরন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে একটু বেশি সময় বার করে প্রাকৃতিক ভাবে এই হরমোন লেভেল বাড়ানো যেমন ঝুঁকিমুক্ত, তেমনিই দীর্ঘস্থায়ী।

*সাতটি কার্যকর খাবার যা আপনার টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সহায়তা করবে। তা নিম্নে আলোচিত হলো—

(১) ডিম – ডিমে ভিটামিন- ডি এবং কুসুমে প্রচুর কোলেস্টেরল রয়েছে। এটা জেনে রাখা ভালো যে, কোলেস্টেরল বিভিন্ন হরমোনাল গঠনে সহায়তা করে। এর ভিতর বিশেষভাবে টেস্টোস্টেরন রয়েছে। তাছাড়া দেশি মুরগি ও হাঁসের ডিম এই হরমোন বাড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। কারণ দেশি মুরগি বাহাস চলন খুবই বিচরণ করে খাদ্য সংগ্রহ করে। তাই এই ডিমের কার্যক্ষমতাও বেশি থাকে। সম্ভব হলে কাঁচা ডিমও খেলে চলবে। আর সম্ভব না হলে এর কুসুম অবশ্যই নরম রেখে খাওয়া যায়।

(২) সামুদ্রিক মাছ – সামুদ্রিক মাছ বা তৈলাক্ত মাছে রয়েছে Omega 3, ফ্যাটি অ্যাসিড, যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে Omega 3, ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। Omega 3 ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোন নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

(৩) ডালিম – ডালিমকে স্বর্গীয় ফল বলা হয়। ডালিম কার্যকরীভাবে ভিটামিন- সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও জিংক দ্বারা সমৃদ্ধ। এছাড়াও ডালিম ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। যেমন- থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়নের অন্যান্য উপাদানের ভালো উৎস। এটি যে শুধু টেস্টোস্টেরন বাড়ায় তাই নয়, এটি একাধারে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমশক্তি বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে।

(৪) খেজুর – প্রতিদিন সকালে নাস্তা খাওয়ার সময় খেজুর খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। মাখনের সাথে খেজুর মিলিয়ে খেলে শরীরের যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। সেইসঙ্গে গঠন বাড়ে ও কণ্ঠস্বর পরিষ্কার হয়।খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস, তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ক্লান্তি ভাব দূর হয়। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন- বি যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

(৫) বাদাম – চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে। এগুলোই শরীরের প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল তৈরি করার পাশাপাশি সেক্স হরমোন গুলিকে সঠিকভাবে পথনির্দেশ করে। তাই অল্প করে হলেও বাদাম খেতে হবে, এতে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। চিনা বাদামে প্রচুর জিংক থাকে। এই জিংক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিংক কম থাকলে শরীরের শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরের কম জিংক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটোই কমে যায়। বাদাম খাওয়ার মাধ্যমে এটা পূরণ হয়ে যায়।

(৬) কিসমিস – মানব শরীরে যৌন উদ্দীপনা বা যৌন শক্তির বৃদ্ধিতে কিসমিসের সাথে অন্য কোনো কিছুর তুলনা হয় না। আঙুর ফল বিশেষ প্রক্রিয়ায় কিসমিসে রূপান্তর করা হয়। কিন্তু গুণের দিক থেকে আঙ্গুরের থেকে কিসমিসের অবদান অনেক বেশি।

(৭) অলিভ অয়েল এবং নারকেল তেল – একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে জলপাই তেল, নারকেল তেল এবং আঙ্গুর বীজের মধ্যে সবথেকে বেশি টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি পায়। নারকেল তেল এবং তার পরেই রয়েছে অলিভ অয়েলের অবস্থান। চাইলে, দুটোই খাওয়া যেতে পারে। প্রতিদিন উভয়ের ১ চা – চামচ করে খেলেই হবে। যদি সম্ভব হয় এর দ্বারা কোন কিছু রান্না করে না খেয়ে সরাসরি খেলেই ভাল হয়। তবে অবশ্যই খাঁটি তেল দেখে তার পরেই খাওয়া উচিত। এতে একটু বেনিফিট বেশিই থাকে।

Disclaimer: উপরোক্ত রোগের বিষয় যে সমস্ত ভেষজ উদ্ভিদের দ্বারা রোগ নিরাময়ের বিষয় বলা হল সেগুলি ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই কোন  বা আয়ুর্বেদিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। রোগ নিরাময় পদ্ধতি গুলি যদি আপনি ব্যবহার করতে চান সেটি সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার, এর জন্য herbaltrees.in ওয়েবসাইট কোন ভাবেই দায়ী থাকবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *